শেয়ার বাজার ঃ এনালাইসিস টিউটোরিয়াল পার্ট 1-2,

0
(0)

car-mechanic-working-auto-repair-service-professional-35581655যারা আমাদের ভিডিও সংগ্রহ করেছেন তাদেরকে নতুন করে এনালাইসিস সম্পর্কে শেখানোর কিছু নেই।কারন আমাদের টিউটোরিয়াল ভিডিও গুলোতে লাইন চার্ট, বার চার্ট ও ক্যান্ডেল চার্ট সহ প্রতিটা ইন্ডিকেটরের সিগন্যাল হাতে ষ্টিক নিয়ে মনিটরের পর্দায় বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।তাই যারা ভিডিও নিয়েছেন তাদের চার্ট এনালাইসিস না বোঝার কিছু নেই।যারা আমাদের টিউটোরিয়াল ভিডিও নিতে পারেননি তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আয়োজন।আমার উদ্দেশ্য এই সাইটের সব পাঠককে দক্ষ ট্রেডার গড়ে তোলা।তাই যারা ভিডিও নিতে পারেন নি তাদের জন্য ধাপে ধাপে প্রতিদিন এনালাইসিসের উপর একটি করে পোষ্ট দিব।তাতে কিছুটা হলেও সাধারন পাঠকরা উপকৃত হবে।আজ টিউটোরিয়াল এনালাইসিসের প্রথম পার্ট। আমরা যদি শেয়ার মার্কেট
এনালাইসিস করতে চাই
তাহলে প্রয়োজন হবে ৩টি
জিনিষের,
১) ফান্ডামেন্টাল
এনালাইসিস
২) টেকনিক্যাল এনালাইসিস
৩) সেন্টিমেন্টাল বা নিউজ
এনালাইসিস।

একটি ছাড়া অন্যটি অচল।
অনেককে দেখা যায় শুধু মাত্র
একটি এনালাইসিস-এর উপর
নির্ভর করে শেয়ার ব্যবসায়
নেমে পড়েন এবং লাভ-
লোকসান যাই হোক না কেন
নিজের ভাগ্য বলে মেনে
নেন।
আমাদের মনে রাখতে হবে,
যে কোন শেয়ারে সফলভাবে
লাভবান হতে হলে
টেকনিক্যাল এনালাইসিস,
ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস,
সেন্টিমেন্টাল বা নিউজ
এনালাইসিসের দিকে সবসময়
নজর রাখতে হবে। আজ থেকে
আমরা টেকনিক্যাল
এনালাইসিসের উপর জানা শুরু
করব।
সহজ করে বলতে গেলে, একটি
শেয়ারের অতীতের কিছু Price
Movement-এর উপর ভিত্তি করে
ভবিষ্যতে এর মূল্য কেমন হতে
পারে, তা খুঁজে বের করার
পদ্ধতিকেই বলে টেকনিক্যাল
এনালাইসিস। সব মিলিয়ে
বলা যায়, একটি কোম্পানির
শেয়ার অতীতে কোন সময়
কোথায় ছিল, বর্তমানে
শেয়ারের গতি কোনদিকে,
ঠিক কোন অবস্থায় গিয়ে
শেয়ারটি ক্রয়-বিক্রয় করা
নিরাপদ আর লাভজনক-এসব বিষয়
চার্টের মাধ্যমে খুঁজে বের
করাই হল টেকনিক্যাল
এনালাইসিস।
টেকনিক্যাল এনালাইসিসের
উৎপত্তিঃ
টেকনিক্যাল এনালাইসিসের
মূলনীতিগুলো আসলে শত শত
বছরের পুরোনো। ১৭শ
শতাব্দীতে ডাচ্ শেয়ার
মার্কেটে ‘জোসেফ ডি লা
ভেগা’ প্রথম কিছুটা
টেকনিক্যাল এনালাইসিস শুরু
করেন। তারপর, জাপানে ১৮শ
শতকের প্রথম দিকে হোমা
মুনিহিসা ‘ক্যান্ডেলস্টিক
টেকনিক’ TMPDOODLE1457197764925(Candlestick
Techniques) ব্যবহার করে
টেকনিক্যাল এনালাইসিসের
ধারনা দেন। যা বর্তমানে
টেকনিক্যাল এনালাইসিসের
অন্যতম জনপ্রিয় চার্টিং টুল
হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তিনি এই
এনালাইসিস ব্যবহার করে
শেয়ার কেনাবেচায় প্রায়
১০০ বিলিয়ন ডলার (আজকের
হিসাবে) মুনাফা করেন।
টেকনিক্যাল
এনালাইসিস – ২
চার্ট কি ?
সাধারণত টেকনিক্যাল
এনালাইসিস করা হয় চার্ট
(Chart) বা গ্রাফ-এর মাধ্যমে।
এগুলো দেখতে সব ব্যবসা/
কাজে ব্যবহৃত চার্টের মতই।
তবে, শেয়ার মার্কেটের Chart
বলতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের
মধ্যে একটি শেয়ারের দামের
যে ওঠা-নামা হয়, তারই একটা
গ্রাফিকাল উপস্থাপনাকে
বুঝায়। আর এই Chart-এর মূল
উপাদান হিসেবে থাকে
কিছু প্রাইস ফিল্ড (Price Field)।
এই প্রাইস ফিল্ড যে তথ্যগুলি
ধারন করে, তা হল –
Opening Price: প্রতিদিন
লেনদেন শুরু হওয়ার পর কোন
কোম্পনির প্রথম শেয়ারটি যে
টাকায় লেনদেন হয়, তা হল ঐ
কোম্পানির শেয়ারের
সেদিনের Opening Price।
Highest Price: প্রতিদিন
লেনদেন শেষ হওয়ার আগে
পর্যন্ত ঐ কোম্পানির
শেয়ারটি সর্বোচ্চ যে টাকায়
লেনদেন হয়, তা হল ঐ
শেয়ারের সেদিনের Highest
Price।
Lowest Price: প্রতিদিন
লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত
ঐ কোম্পানির শেয়ারটি
সর্বনিম্ন যে টাকায় লেনদেন
হয়, তা হল ঐ শেয়ারের
সেদিনের Lowest Price।
Closing Price: প্রতিদিন
লেনদেন বন্ধ হওয়ার আগে
পর্যন্ত ঐ শেয়ারটি সর্বশেষ যে
টাকায় লেনদেন হয়, তা হল ঐ
শেয়ারের সেদিনের Closing
Price।
এই Open, High, Low এবং Close
Price দিয়েই বিভিন্ন ধরনের
চার্ট এনালাইসিস করা হয়।
চার্টের বৈশিষ্ট্য: একটি
চার্টে এনালাইসিসের সময়
কয়েকটি ব্যাপার মাথায়
রাখতে হবে। যেমন সময়ের
স্কেল, দামের স্কেল। সময়
স্কেল বলতে একটি শেয়ারের
বিভিন্ন সময়কাল বোঝানো
হয়, এটা কয়েক মিনিট থেকে
শুরু করে কয়েক বছরের
হিসেবেও হতে পারে। তবে
সাধারণত টাইম স্কেল মানে
দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক,
ত্রৈমাসিক এবং বার্ষিক
হিসেব বোঝানো হয়।
চার্ট এর প্রকারভেদ: অভিজ্ঞ
বিনিয়োগকারীরা প্রধানত ৩
ধরনের চার্ট এনালাইসিস করে
থাকেন। এটা নির্ভর করে
তাদের কি রকম চার্ট
এনালাইসিস লাগবে অথবা
তারা কোন ধরণের চার্ট
এনালাইসিস করতে বেশি
পারদর্শী তার উপর।
এসব চার্টের মধ্যে আছে
Line Chart (লাইন চার্ট),
Bar Chart (বার চার্ট) এবং
Candlestick Chart
(ক্যান্ডেলস্টিক চার্ট)।
Line Chart (লাইন চার্ট)
লাইন চার্ট হচ্ছে একেবারে
বেসিক লেভেলের চার্ট।
যেখানে একটা নির্দিষ্ট
টাইম ফ্রেমের মধ্যে একটি
নির্দিষ্ট শেয়ারের শুধুমাত্র
ক্লোজিং প্রাইসকে
দেখানো হয়। যে লাইনটি
টানা হয় সেটি হল বিভিন্ন
দিনের বা সময়ের ক্লোজিং
পয়েন্টগুলোর যোগসূত্র।
তবে লাইন চার্ট দিয়ে কোন
শেয়ারের সঠিক গতিবিধি
জানা যায়না। যেমন শুরুর
দিকে দাম কেমন ছিল,
সারাদিনে কতটা বেড়েছে
বা কমেছে ইত্যাদি। তারপরও
একটা শেয়ারের ক্লোজিং
প্রাইসই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
কারন শেয়ারের মূল্য নির্ধারন
করতে গেলে শেষের দামটাই
কাজে লাগে।
TMPDOODLE1457197738282(See uploaded Image # 1 : Line
Chart)
Bar Chart (বার চার্ট)
বার চার্ট অনেকটা লাইন
চার্টের মতই। তবে পার্থক্য
হচ্ছে এই চার্টে Open, High, Low
এবং Close Price থাকে। এই
চার্টটি তৈরিই হয় লম্বা লম্বা
লাইন দিয়ে যেখানে উপরের
দিকে থাকে শুরুর দিককার
দাম এবং নিচের দিকে
থাকে ক্লোজিং প্রাইস বা
শেষের দাম। তাছাড়াও
উল্লেখ্য করার মত ব্যাপার হল
রঙের ব্যবহার। এই চার্টে
শেয়ারের দাম যদি বাড়ে
তাহলে সবুজ এবং যদি
শেয়ারের দাম যদি কমে যায়
তাহলে কালো বা লাল
রঙের বার ব্যবহার করা হয়।TMPDOODLE1457197753727

Rate This

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

As you found this post useful...

Follow us on social media!