শেয়ার ক্রয়ের জনপ্রিয় টিপস!

0
(0)

car-mechanic-working-auto-repair-service-professional-35581655 শেয়ার বাজার উত্তান পতনের বাজার।সব সময় বাজার এক রকম যায় না যাবেও না।কারন শেয়ার বাজার একটি স্পর্শ কাতর জায়গা।মার্কেট উত্তান পতনের জন্য যেকোনো একটি নিউজ অথবা একটি রিউমারই যথেষ্ট।একটি দেশের সামাজিক,রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি ও অবনতি পরিস্থিতি ওই দেশের শেয়ার বাজারে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।শুধু তাই নয় কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেয়ার বাজারের উত্তান পতনও যেকোনো দেশের বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।বাজার যতই ইতিবাচক থাকুক,ট্রেডিং চলাকালীন সময়ে একটি নেতিবাচক নিউজ এসে বাজারের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।তাই শেয়ার বাজারে ট্রেড করার সময় সার্বিক পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখতে হয়।আকাশের যেমন ক্ষনে ক্ষনে রং পাল্টায় শেয়ার বাজারেও মুহুর্তেই চিত্র পাল্টে যায়।এমতাবস্থায় বায়ার সেলারদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।কিছু টেকনিক অবলম্বন করে বাই সেল করলে এরকম বিব্রতকর অবস্থা এড়ানো সম্ভব।বাই সেল টেকনিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দিক হচ্ছে সুস্থ ট্রেডিং।অর্থ্যাৎ ট্রেড করার সময়ে আপনার শারীরিকও মানুষিক সুস্থতা থাকতে হবে।বুঝতেই পারছেন ট্রেডের সময় অতি আবেগ প্রবন বা ইমোশনাল হওয়া যাবে না।কারন আবেগপ্রবন হচ্ছে এক প্রকার মানুষিক অসুস্থতা।তাই কোনো আইটেমের প্রতি আবেগ প্রবন হয়ে বাই সেল করা থেকে বিরত থাকতে হবে।মনে করেন আজ রাতে আপনি একটি আইটেমের সংবেদনশীল তথ্য পেলেন অথবা একটি আইটেম আপনাকে আকর্ষন করল।আপনি টার্গেট করলেন আগামিকাল ওই আইটেমটি বাই দিবেন।আপনি সকালে ওপেনিংয়েই দেখলেন আইটেমটি ৪%-৫% বেড়ে গেছে।এই ৪%-৫% দর বৃদ্বি আপনাকে আরো আবেগপ্রবন করে তুলবে।আপনি ভাববেন হয়তঃ আর কমবে না তাই তাড়াহুরো করে বাই দিলেন! এটাই আপনার ভুল।কিছুক্ষনের মধ্যেই আপনার ক্রয় মূল্য থেকে কমে আসতে পারে।কারন যারা ডে ট্রেডার,যারা নেটিং করে অথবা যারা দীর্ঘদিন আইটেমটিতে আটকা ছিল তারা সকালে ৪%-৫% বাড়লেই সেল দিয়ে আবার কম দরে ক্রয়ের অপেক্ষায় থাকে।তাদের সেল প্রেসারে ওপেনিং দর ধরে রাখতে পারে না।তাই দরবৃদ্বির সাথে ভলিওম,হাওলার সমন্নয় আছে কিনা,আপট্রেন্ড স্ট্রং হচ্ছে না দুর্বল হচ্ছে,শেষ পর্যন্ত আপট্রেন্ড শক্তি ধরে রাখতে পারে কিনা সেটা নিশ্চিত হতে ২.১৫ পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।২.২০ এর পর আপনি অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাবেন আইটেমটির ক্লোজিং প্রাইস কত হতে পারে এবং আইটেমটি পরদিন বাড়বে নাকি কমবে সারাদিনের ক্যান্ডেলষ্টিক দেখে অনেকটা অনুমান করতে পারবেন।তাছাড়া ২.২০ এর পর আগের চেয়ে অনেক কম রেটে পাওয়া যেতে পারে।কারন ওইসময় নেটিং সমন্বয়ের সেল প্রেসার আসে।তাই আপট্রেন্ড আইটেম শেষের দিকে বাই দেয়া নিরাপদ।ডাউনট্রেন্ড আইটেম আপনি সকালেই বাই দিতে পারেন।তবে কোন জায়গা থেকে ঘুরতে পারে সেটা আগে অনুমান করতে হবে। মনে করেন একটা আইটেম সকালে ৩%-৪% কমে গেল।দিনশেষে ঘুরে যাবে এই আবেগে তাড়াহুরো করে বাই না দিয়ে অপেক্ষা করুন কতটুকু ডাউন হয়।পাশাপাশি ওই আইটেমটির সেক্টরের দিকে নজর রাখুন যে ওই সেক্টরের অন্যান্য শেয়ারের পারফর্মেন্স কেমন।ডাউনের একপর্যায়ে একটা জায়গায় এসে ঘুরপাক খাবে। তখন ইনডেক্স এবং লেনদেনের দিকে নজর দিন।ইনডেক্স এবং লেনদেন দেখে যদি মনে হয় মার্কেটে গতি আছে তবেই বাই দিতে পারেন।বাই সেল ট্রেডিংয়ে অন্যের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকুন।শেয়ার বাজারে সবচেয়ে বুদ্বিমান ট্রেডাররাও মাঝে মাঝে অন্যের প্ররোচনায় প্রভাবিত হয়ে ট্রেড করে থাকেন।এসময় নিজেকে কন্ট্রোল করে নিজেকে ট্রেড থেকে দূরে রাখুন।পরের পর্বে আসবে সেলের কৌশল।তাই ওয়েব সাইটে নজর রাখুন।

Rate This

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

As you found this post useful...

Follow us on social media!