বাজার বিশ্লেষন ও আইটেম খেকোদের ছাগলানা !!

0
(0)

images(6)শেয়ার বাজারের ইনডেক্সের উঠানামার মধ্যেও যে আসল নকল আছে সেটা হয়তঃ অধিকাংশ বিনিয়োগকারী ই জানেন না।বাজার বিশ্লেষনে আমার ভাষায় কৃত্রিম সাপোর্টকে আমি নকল ইনডেক্স বলে থাকি।গতকাল যে ১০০ পয়েন্ট + এর ইনডেক্সটি আপনারা দেখেছিলেন সেটা ছিল নকল ইনডেক্স।দর দাম না করে গতকাল সকালে টেনে টেনে বাই দিয়ে ইনডেক্সকে কৃতিম সাপোর্ট দিয়ে বাড়ানো হয়েছিল।তাই ১০০ পয়েন্ট ইনডেক্স বাড়লেও সে তুলনায় টার্নওভার বাড়েনি।গতকাল এই নাটক না করলেও স্বাভাবিক ভাবেই ইনডেক্স পজিটিভ থাকত।কৃত্রিম সাপোর্ট ছাড়া নিজ গতিতে যদি মার্কেট ঘুরে দাড়াত তাহলে আজ বিপরীত চিত্র দেখতে হত না।কারন নিজ শক্তিতে মার্কেট ঘুরে দাড়ালে কয়েকদিন ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।কিন্তু কৃত্রিম কোনো কিছুই স্থায়ী হয় না।তাই গতকালের নকল চিত্রের ফলে আজ আসল চিত্রটি দেখতে পেলাম।গতকাল বাজারের যে আচরন ছিল তাতে আসল প্রফিটাবল আইটেম সিলেক্ট করা কোনো বিশেষজ্ঞের পক্ষেও হয়তঃ সম্ভব ছিল না।কলুপ লাগানো মাথায় যেমন অর্জিনাল পাকা চুলটি চেনা সম্ভব নয় তেমনি সবুজ মার্কেটে সঠিক প্রফিটাবল আপট্রেন্ড আইটেমটি খুজে পাওয়া অসম্ভব।তারপরও গতকাল ফেসবুক সহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম বিভিন্ন আইটেমের ছড়াছড়ি।যাই হোক আজ বাজারের ইনডেক্সটি যেমন আসল তেমনি যেসব আইটেম আজ অধিক ভলিওম পেয়ে আপট্রেন্ড ধরে রেখেছে সে গুলোর অধিকাংশই আসলই প্রফিটাবল আইটেম।বাজারে প্রায় সাড়ে তিনশ আইটেম আছে।তার মধ্যে হাতে গোনা ২০-৩০ টা আইটেম আছে যে আইটেম গুলো প্রতি বছরই ঘুরে ফিরে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে নির্দিষ্ট সময়ে উঠানামা করে।

ওই আইটেম গুলো ওয়াচ লিষ্টে রেখে সঠিক সময়ে এন্ট্রি এবং এক্সিট করতে পারলে লোকসান তো হবেই না বছর শেষে প্রফিট গুনে শেষ করা যাবে না।বাই সেল করতে আপনার মন যা চাইবে সেটাই অগ্রাধিকার দিয়ে করবেন।তবুও অন্যের কথায় বাই সেল করবেন না।একান্তই যদি অন্য কাউকে অনুসরন করতে হয় তাহলে যাকে অনুসরন করবেন তার পোর্টপোলিও সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট হাউজে খোজ খবর নেন।অর্থ্যাৎ সে গত ৬ মাসে কি পরিমান প্রফিট করেছে! না কি সেও আপনার মত লুজার সেটা যাচাই না করে কাউকে অনুসরন করা আর অন্যের হাতে বিষমাখা ভাত খাওয়া সমান।বিশেষ করে ফেসবুকের আইটেম এড়িয়ে চলবেন।কারন ফেসবুক থেকে যারা আইটেম নেয় তারা যেমন লুজার যারা আইটেম দেয় তারা আরো বেশী লুজার।তাছাড়া ফেসবুকের কিছু কিছু এডমিন আছে যাদের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ২ লাখেরও কম।তারা ফেসবুকে ছাগল ধরেই সংসার চালাচ্ছে।অর্থ্যাৎ আপনি যখন শেয়ার মার্কেটের দুর্বলতা তার কাছে প্রকাশ করবেন তখন সে ভাববে একটা ছাগল পাইছি।কারন সে নিজেই একজন লুজার।সেও একদিন অন্যের কাছ থেকে টাকা দিয়ে আইটেম নিয়ে ধরা খাওয়ার পর গ্রুপ বা পেজ খুলে ছাগল ধরার অপেক্ষায় উৎ পেতে বসে আছে।অর্থ্যাৎ এক ছাগলে জন্ম দেয় অসংখ্য ছাগল।ফেসবুক এডমিনদের ব্যপারে আমার চেয়ে বেশী কেউ জানার কথা না।কারন ২০১১-২০১৩ সাল পর্যন্ত আমি ফেসবুকের একজন দাপুটে এডমিন ছিলাম।সেই সময় আমার যুক্তরাষ্ট্রের এনআরবি ভক্তরা আমাকে স্পন্সর পর্যন্ত করেছিল।বর্তমানেও এই সাইটে পাঠ্ক সংখ্যায় বাংলাদেশের পরেই দ্বিতীয় স্থানে আছে আমেরিকা।২০১৩ সালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আমার আইডিটি ব্যান করে দেয়।তারপর ফেসবুকে অসংখ্য ফ্যাক স্টক কামরুলের জন্ম হয়েছিল।বর্তমানেও কেউ কেউ না কি নিজেকে স্টক কামরুল দাবী করে! তবে মনে রাখা দরকার আম গাছে কখনও জাম ধরে না।বর্তমানে ফেসবুকে ৬-৭ জন এডমিন আছে যারা অত্যন্ত লুজার।আমি ফেসবুকে থাকাকালীন তারা আমার মেম্বার ছিল।তাই তাদের পোর্টপোলিওর অবস্থা আমার জানা আছে।অতএব ফেসবুক এডমিনদের কাছে নিজেকে ছাগল বানাবেন না।
sktips2016@gmail.com

Rate This

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.

As you found this post useful...

Follow us on social media!